ওরাল সেক্স সম্পর্কে কিছু কল্পকাহিনী পর্যালোচনা করা হচ্ছে

সেক্সো মৌখিক

দীর্ঘদিন ধরে আমরা মুখমৈথুনকে যোনিপ্রবেশের বিকল্প এবং সেইসাথে আমাদের যৌন সম্পর্কের পরিপূরক হিসেবে দেখে আসছি ।

নানা কারণে মুখমৈথুন করা হয়ে থাকে। বয়স, মানসিক চাপ বা সাময়িক কিংবা দীর্ঘস্থায়ী কোনো কারণে পুরুষ যখন লিঙ্গোত্থানে অক্ষম হন, তখন এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি গর্ভধারণ প্রতিরোধ করতেও ব্যবহৃত হয়।

ওরাল সেক্সের অনুশীলন কি ক্ষতিকারক?

বিশেষজ্ঞরা সাধারণত না বলেন। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি বিবেচনা করা, উভয় সঙ্গীর সম্মতি নিশ্চিত করা ইত্যাদি প্রয়োজন ।

অন্যান্য উপায়ের মতোই মুখমৈথুনও যৌনতাকে আনন্দদায়ক ও তৃপ্তিদায়ক উপায়ে প্রকাশ করার একটি মাধ্যম , যা অধিকাংশ দম্পতি ও সংস্কৃতির মধ্যেই প্রচলিত।

ওরাল সেক্সের কি স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে?

সেক্সো মৌখিক

মুখমৈথুনের ফলে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য যে ঝুঁকিগুলো তৈরি হতে পারে, সেগুলো হলো মুখ, পুরুষাঙ্গ, যোনি ইত্যাদিতে রোগ, কাটাছেঁড়া বা ক্ষতের উপস্থিতি সম্পর্কিত ঝুঁকি । নারীর মাসিক চলাকালীনও একই নিয়ম প্রযোজ্য

কোনো কোনো ক্ষেত্রে, সঙ্গীদের মধ্যে একজনের সিফিলিস থাকলে রোগটি ছড়িয়ে পড়ার প্রমাণিত ঝুঁকি থাকে।

নৈমিত্তিক মুখোমুখি এবং ওরাল সেক্স

গর্ভধারণের পরিণতির ভয়ে অনেক তরুণ-তরুণী বিভিন্ন যৌন মিলনের সময় লিঙ্গপ্রবেশের বিকল্প হিসেবে মুখমৈথুন করে থাকে। তাছাড়া, মুখমৈথুন দ্রুততর এবং অন্যান্য যৌনমিলনের পদ্ধতির মতো এতে বেশি জায়গার প্রয়োজন হয় না।

ওরাল সেক্সের আগে সাবধানতা

প্রথম কাজ হলো, আপনি যার সাথে ওরাল সেক্স করতে যাচ্ছেন, তাকে ভালোভাবে জেনে নেওয়া । যদি আপনার কাছে পর্যাপ্ত তথ্য না থাকে, তবে ওরাল সেক্স করা উচিত নয়। ওই ব্যক্তির অবাধ যৌন প্রবণতা থাকতে পারে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে। পুরুষদের জন্য সুরক্ষার একটি ভালো উপায় হলো কনডম।


Google-এ পছন্দের উৎস হিসেবে যোগ করুন